সরকারি আমানতের তথ্য আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও শ্রেণিবদ্ধভাবে সংরক্ষণ এবং ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট (টিএসএ) ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে নতুন ইকোনমিক সেক্টর কোড বা আইডি সংযোজন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার লেটার বৃহস্পতিবার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় জানানো হয়, ২০১৪ সালের ২৪ মার্চ জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটার নম্বর-১০-এর ধারাবাহিকতায় সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনা এবং টিএসএর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। এর আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, আমানত গ্রহণকারী নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অন্যান্য সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি এবং সরকারি পেনশন ফান্ডের অফিস ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এই লক্ষ্যে সংযুক্তি ‘এ’ অনুযায়ী বেশ কয়েকটি নতুন ইকোনমিক সেক্টর কোড বা আইডি প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে এসব কোড ব্যবহার করেই প্রতি মাসের তথ্য পরের মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দিতে হবে ব্যাংকগুলোকে।
তবে চলতি বছরের জুন মাসের সরকারি হিসাবসংক্রান্ত আমানতের মাসিক বিবরণী আগের আরআইটি পদ্ধতি অনুযায়ীই জমা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে নির্দেশনায়, অর্থাৎ নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হবে ধাপে ধাপে।
উল্লেখ্য, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্দেশনার সঙ্গে নতুন ইকোনমিক সেক্টর কোড বা আইডির বিস্তারিত বিবরণ সংবলিত ১৩ পৃষ্ঠার একটি সংযোজনীও যুক্ত করা হয়েছে।
