দর্শক ভোটাভুটির মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা, আর সেখানে সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম হয়ে উঠেছেন কেইপ ভার্ডের গোলরক্ষক ভজিনিয়া। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই ৪০ বছর বয়সী এই তারকা জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবলের সর্বোচ্চ সম্মানের এই তালিকায়, পেছনে ফেলেছেন এবারের গোল্ডেন গ্লাভজয়ী স্পেনের উনাই সিমনসহ আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেস, ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ড ও কুরাসাওয়ের ইলয় রুমকে।
আক্রমণভাগে অবশ্য কোনো চমক নেই—প্রত্যাশা অনুযায়ীই জায়গা পেয়েছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হলান্ড। গত রোববার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে স্পেন, তার মধ্য দিয়েই শেষ হয় এবারের আসর।
গোল সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন এমবাপে—আসরে সর্বোচ্চ ১০ গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ডও গড়েন তিনি। ঠিক তার পরই আছেন মেসি, এই আসরে আট গোল নিয়ে এবং সব মিলিয়ে ২১ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। এই আসরের অন্যতম চমক নরওয়ে, আর দলটির সেরা অস্ত্র হলান্ড ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে যৌথভাবে সাত গোল করে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।
সাত গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করা বেলিংহ্যাম নিজের পজিশনেই জায়গা পেয়েছেন সেরা একাদশে। দলের বাকি দুই মিডফিল্ডার হলেন এবারের গোল্ডেন বলজয়ী রদ্রি এবং এক আসরে সর্বোচ্চ সাত অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়া মাইকেল ওলিসে।
রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের দুই ফুলব্যাক পেদ্রো পররো ও মার্ক কুকুরেইয়া, যাদের হাত ধরেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম মাত্র একটি গোল হজম করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়ে স্পেন। সেন্টার-ব্যাক পজিশনে আছেন আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও ফ্রান্সের দাইয়ু উপামেকানো।
ফিফার সেরা একাদশ:
গোলরক্ষক: ভজিনিয়া
ডিফেন্ডার: পেদ্রো পররো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, দাইয়ু উপামেকানো, মার্ক কুকুরেইয়া
মিডফিল্ডার: রদ্রি, মাইকেল ওলিসে, জুড বেলিংহ্যাম
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, আর্লিং হলান্ড, কিলিয়ান এমবাপে
